অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : Oct 14, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

ইমরান খানের ঘাঁটি খাইবার পাখতুনখোয়ায় পুলিশের গুলি, আহত ৫

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) শক্ত ঘাঁটি খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি অবস্থা ও গভর্নরের শাসন জারির প্রতিবাদে বিক্ষোভে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় পুলিশের গুলিতে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।


পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি অবস্থা জারি, নির্বাচিত প্রাদেশিক সরকারের কার্যক্রম স্থগিত এবং গভর্নরের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিবাদে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। প্রদেশটিতে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা। সংবাদমাধ্যমটির নিউজফিডের তথ্য অনুযায়ী, জরুরি অবস্থা ও গভর্নরের শাসন জারির পর থেকেই প্রদেশটিতে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন বিক্ষোভকারীরা।

পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের অভিযোগ, নিষিদ্ধ ঘোষিত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে খাইবার পাখতুনখোয়ার প্রাদেশিক সরকার। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জরুরি অবস্থা জারি করে নির্বাচিত সরকারের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। পরে প্রদেশটিতে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় সরকার।

তবে কেন্দ্রীয় সরকারের এ পদক্ষেপকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে ইমরান খানের দল পিটিআই। দলটির অভিযোগ, ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে ইসলামাবাদ অভিমুখে কর্মসূচি ঠেকাতেই প্রাদেশিক সরকারের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে কেন্দ্র।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ব্যবসায়ী তারেক আলী সরকারের সমালোচনা করে বলেন, সরকার সব সময় সন্ত্রাসীদের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিল। তাঁর মতে, সংবিধান জনগণের মতামত উপেক্ষা করার অধিকার কাউকে দেয় না। চার কোটি মানুষের নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীকে উপেক্ষা করে কীভাবে একটি প্রদেশ পরিচালনা করা সম্ভব, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

অন্যদিকে সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক আরিফা নূরের মতে, সন্ত্রাসবাদ দমনের সঙ্গে জরুরি অবস্থা জারির সরাসরি সম্পর্ক স্পষ্ট নয়। বিরোধী দলের নেতৃত্বাধীন প্রাদেশিক সরকারকে মেনে নিতে কেন্দ্রীয় সরকারের অনীহাও এ সিদ্ধান্তের পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

গত এক সপ্তাহ ধরে ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে খাইবার পাখতুনখোয়ায় মিছিল, সমাবেশ ও পদযাত্রা করেছেন তাঁর হাজার হাজার সমর্থক। ২০১৩ সাল থেকে প্রদেশটিতে পিটিআইয়ের রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে জরুরি অবস্থা জারি এবং নির্বাচিত সরকারের কার্যক্রম স্থগিত করার সময় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পর্যবেক্ষকেরা।

তথ্যসূত্র: আলজাজিরা ও রয়টার্স।


মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সরকারের সরলতাকে দুর্বলতা ভাবলে ভুল হবে: চিফ হুইপ

1

মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি সংশোধনের দাবিতে শুক্রবার গণসংহতির সমা

2

ফুলবাড়ীতে বাক্‌প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, যুবক কারাগ

3

সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকার জ্বালানি তেল কিনছে সরকার

4

মেয়াদ শেষ, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত

5

স্বাধীন সত্তা বিসর্জন দেয়নি ছাত্রদল, তাই কেউ গুপ্ত বলে না: র

6

ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে কমবে দারিদ্র্য, মূল্যস্ফীতির চাপ: বিশ

7

রান নেই–উইকেট নেই, তবু ম্যাচসেরা

8

প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন নীতিমালা পুনর্মূল্যায়নে ১৭ সদস্যের কমিট

9

পীরগঞ্জে ২০৮ দুস্থ নারীর হাতে বিনামূল্যে সেলাই মেশিন

10

আ.লীগ নেতার অফিসে অস্ত্র, ককটেল ও বিদেশি মদ উদ্ধার

11

এশিয়া কাপ আর্চারিতে কাজাখস্তানকে হারিয়ে বাংলাদেশের স্বর্ণ জয়

12

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের বৈঠক

13

সাঁতার প্রতিযোগিতার সেরা নাফিসা সিনেমায় নায়িকাও, নায়কের তালি

14

তেঁতুলিয়ায় সড়কের পাশে পাথর-বালি অপসারণের নির্দেশ ইউএনওর

15

নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে শেভরনকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধান

16

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর ঘিরে ঢাকা-দিল্লির কূটনৈতিক তৎপরতা

17

রংপুর ও ঠাকুরগাঁওয়ে এসআরবির পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩

18

এলপিজি বিক্রি বন্ধের ঘোষণায় ১২ কেজির সিলিন্ডারে ৪০০ টাকা পর্

19

সাংবাদিকতা পেশায় রাজনৈতিক দলবাজি বন্ধ করা দরকার: সংস্কার কমি

20