অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : Oct 20, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

পূজার ছুটিতে নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল, ডজনপ্রতি ১০ টাকা কমল ডিম

শারদীয় দুর্গাপূজার টানা ছুটির মধ্যেও রাজধানীর বাজারে চাল, ডাল ও সয়াবিন তেলসহ অধিকাংশ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। তবে গত দুই দিনে ফার্মের ডিমের দাম ডজনপ্রতি ১০ টাকা কমে ১৪০ টাকায় নেমেছে। কমেছে সরু মসুর ডালের দামও।


শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন খুচরা ও পাইকারি বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে। চাল, ডাল ও সয়াবিন তেলের দামে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন না এলেও গত দুই দিনে ডিমের দাম কমেছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাজধানীর শেওড়াপাড়া ও কাজীপাড়াসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, সরু ও মোটা—সব ধরনের চালের দাম আগের মতোই রয়েছে। মাঝারি মানের বিআর-২৮ ও মোটা স্বর্ণা চালও বিক্রি হচ্ছে আগের দামে। বর্তমানে মিনিকেট চাল প্রতি কেজি ৭২ থেকে ৮৫ টাকা এবং স্বর্ণা ও বিআর-২৮ চাল ৫৫ থেকে ৬৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ২০৫ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ১৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেল সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে পূজার ছুটিতে ডিলারদের সরবরাহ কমে যাওয়ার অজুহাতে কয়েকটি খুচরা দোকানে খোলা সয়াবিন ও পাম তেল প্রতি লিটারে দুই থেকে পাঁচ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে, গত দুই দিনে ফার্মের ডিমের দাম ডজনপ্রতি ১০ টাকা কমে ১৪০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। গত সপ্তাহে ফার্মের লাল ডিমের ডজন ১৫০ টাকা এবং সাদা ডিমের ডজন ১৪৫ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।

ডালের বাজারেও কিছুটা স্বস্তি দেখা গেছে। গত সপ্তাহের তুলনায় সরু মসুর ডালের দাম প্রতি কেজিতে ১০ টাকা কমে ১৫০ টাকা হয়েছে। মোটা মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা কেজি দরে। এ ছাড়া ছোলার ডাল ১৪০ টাকা এবং মুগ ডাল ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

কাজীপাড়া বাজারে কেনাকাটা করতে আসা রবিউল ইসলাম বলেন, পূজার ছুটি এলে বাজারে কোনো না কোনো পণ্যের দাম বেড়ে যায়। তবে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। চাল, ডাল, তেলসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য গত সপ্তাহের দামেই বিক্রি হচ্ছে।

শেওড়াপাড়ার ভাই ভাই জেনারেল স্টোরের বিক্রেতা সহিদুল ইসলাম বলেন, চাল, তেল, চিনি, লবণ ও আটাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য গত সপ্তাহের দামেই বিক্রি হচ্ছে। পূজার ছুটিতে কোনো পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বাড়েনি।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, পূজার ছুটিকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে যাতে জরুরি খাদ্যপণ্যবাহী পরিবহন আটকে না থাকে, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সরকারের নিয়মিত তদারকি অব্যাহত থাকলে বাজার পরিস্থিতি নিয়ে ভোক্তাদের মধ্যে স্বস্তি বজায় থাকবে।


মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আ.লীগ সমঝোতা চাইলে আগে অপরাধ স্বীকার করতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা

1

স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিযোগিতামূলক: ত

2

সাংবাদিক আমির খসরুর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক প্রকাশ

3

ফরহাদ হোসেন হত্যার বিচারের দাবিতে প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্

4

পুতিন-কিমের সঙ্গে চুক্তি চান ট্রাম্প

5

সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন ও সরকারি ক্রয় আইন সংশোধনের খসড়ায় মন্ত্রিসভ

6

পীরগঞ্জে বৌভাতের সাজসজ্জার কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ডেক

7

১৫ বছর পর শিশু ধর্ষণ মামলার রায়, ঠাকুরগাঁওয়ে তিনজনের আমৃত্

8

ফুলবাড়ীতে সরকারি কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধ

9

ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলায় বিএনপি এমপির ছেলে ৩ দিনের রিমান্ডে

10

টেক্সটাইল শিক্ষার মান ও গবেষণা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির

11

৯ বছর অপেক্ষার পর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সেঞ্চুরি, নিয়মিত খে

12

জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে হামলার অভিযোগ, বিজয় রাকিন স

13

বিগত ১৮০ দিনে আইনশৃঙ্খলায় দৃশ্যমান উন্নতি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

14

কাতারে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের নতুন সভাপতি শামীম সম্পাদক সালা

15

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে তড়িঘড়ি নয়, স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকের প

16

ফুলবাড়ীতে নারী উদ্যোক্তাদের পণ্য প্রদর্শনী ও সনদ বিতরণ

17

বাংলাদেশের ফুটবলে বড় বিনিয়োগের আশ্বাস ফিফা সভাপতির

18

ঢাকা-কক্সবাজার রুটে মহানগর এক্সপ্রেসের টিকিট বিক্রি শুরু আজ

19

বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার প্রত্যাশা এলজি

20